আমারসংবাদডটকম, ০৬ এপ্রিল-১২ :
নোয়াখালীতে ছাত্রদলের তিনটি শাখার সম্মেলন আহ্বানকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে শহরে ছাত্রদলের বিবাদমান দুইটি পক্ষের মধ্যে ব্যাপক পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে। এসময় শহরের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও দোকানপাটে ইটপাকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
শহরের একাধিকস্থানে একই সঙ্গে বিবাদমান দুইটি পক্ষ ছাত্রদলের সম্মেলন আহ্বান করায় সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে রাত বারটা পর্যন্ত নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় সকল ধরণের সভা-সমাবেশ ও জমায়েত নিষিদ্ধ করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। রাত আটটার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (এডিএম) ফেরদৌস হাসান খান এ আদেশ দেন।
রাত সাড়ে আটটায় জেলা প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম ১৪৪ ধারা জারির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একাধিকস্থানে একাধিকপক্ষ কর্মসূচি দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাত দশটায় তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে মাইকিং করে ১৪৪ ধারা জারির বিষয়টি প্রচার করা হয়।
এর আগে দুপুরে নোয়াখালীর জৈষ্ঠ্য সহকারী জজ আদালত জেলা ছাত্রদল কর্তৃক শহর, সদর উপজেলা ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সম্মেলন আহ্বান বৈধ ঘোষনা করে। গত ১ এপ্রিল সদ্য বহিষ্কার হওয়া শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ফরহাদ চৌধুরী ওরফে চয়ন বাদী হয়ে জেলা ছাত্রদলের আহ্বান করা সম্মেলন বাতিল করার আবেদন জানিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন।
জানা গেছে, জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে শহরের আল-ফারুক একাডেমী, বিজয়মঞ্চ, পৌরহল ও হরিনারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শহর, সদর উপজেলা ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সম্মেলন আহবান করা হয়। কিন্তু দল থেকে সদ্য বহি®কৃত তিন নেতার নেতৃত্বে ছাত্রদলের অপর একটি পক্ষ ওই স্থানগুলোতে পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোত তুঙ্গে উঠে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র হারুনের সমর্থিত ছাত্রদলের একটি পক্ষ আদালতের দারস্থ হয়েও শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। এরপর তাঁরা গতকাল নয়টার দিকে শহরে লাঠিসোঠা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সম্মেলনের পক্ষে টাঙানো বিভিন্ন ব্যানার-ফেষ্টুন ছিঁড়ে ফেলে। এসময় কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদলের নেতা ফরহাদ চৌধুরী জানান, জেলা ছাত্রদল অবৈধভাবে সম্মেলনের আয়োজন এবং তাঁদের বহিষ্কার করেছে। তারা রাজপথে রাজনৈতিকভাবে এর জবাব দিবেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাতে তাঁদের প্রতিপক্ষ মেয়র হারুনুর রশীদের বাসার সামনের কয়েকটি দোকানে হামলা চালিয়ে ক্ষতি সাধন করে।
সুধারাম (সদর) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদার বলেন, কাউকে আটক করা হয়নি।
নোয়াখালীতে ছাত্রদলের তিনটি শাখার সম্মেলন আহ্বানকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে শহরে ছাত্রদলের বিবাদমান দুইটি পক্ষের মধ্যে ব্যাপক পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে। এসময় শহরের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও দোকানপাটে ইটপাকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
শহরের একাধিকস্থানে একই সঙ্গে বিবাদমান দুইটি পক্ষ ছাত্রদলের সম্মেলন আহ্বান করায় সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে রাত বারটা পর্যন্ত নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় সকল ধরণের সভা-সমাবেশ ও জমায়েত নিষিদ্ধ করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। রাত আটটার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (এডিএম) ফেরদৌস হাসান খান এ আদেশ দেন।
রাত সাড়ে আটটায় জেলা প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম ১৪৪ ধারা জারির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একাধিকস্থানে একাধিকপক্ষ কর্মসূচি দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাত দশটায় তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে মাইকিং করে ১৪৪ ধারা জারির বিষয়টি প্রচার করা হয়।
এর আগে দুপুরে নোয়াখালীর জৈষ্ঠ্য সহকারী জজ আদালত জেলা ছাত্রদল কর্তৃক শহর, সদর উপজেলা ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সম্মেলন আহ্বান বৈধ ঘোষনা করে। গত ১ এপ্রিল সদ্য বহিষ্কার হওয়া শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ফরহাদ চৌধুরী ওরফে চয়ন বাদী হয়ে জেলা ছাত্রদলের আহ্বান করা সম্মেলন বাতিল করার আবেদন জানিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন।
জানা গেছে, জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে শহরের আল-ফারুক একাডেমী, বিজয়মঞ্চ, পৌরহল ও হরিনারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শহর, সদর উপজেলা ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সম্মেলন আহবান করা হয়। কিন্তু দল থেকে সদ্য বহি®কৃত তিন নেতার নেতৃত্বে ছাত্রদলের অপর একটি পক্ষ ওই স্থানগুলোতে পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোত তুঙ্গে উঠে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র হারুনের সমর্থিত ছাত্রদলের একটি পক্ষ আদালতের দারস্থ হয়েও শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। এরপর তাঁরা গতকাল নয়টার দিকে শহরে লাঠিসোঠা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সম্মেলনের পক্ষে টাঙানো বিভিন্ন ব্যানার-ফেষ্টুন ছিঁড়ে ফেলে। এসময় কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদলের নেতা ফরহাদ চৌধুরী জানান, জেলা ছাত্রদল অবৈধভাবে সম্মেলনের আয়োজন এবং তাঁদের বহিষ্কার করেছে। তারা রাজপথে রাজনৈতিকভাবে এর জবাব দিবেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাতে তাঁদের প্রতিপক্ষ মেয়র হারুনুর রশীদের বাসার সামনের কয়েকটি দোকানে হামলা চালিয়ে ক্ষতি সাধন করে।
সুধারাম (সদর) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদার বলেন, কাউকে আটক করা হয়নি।




