ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়।
পরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এর আগে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার সময়ই জানানো হয়েছিল যে ভোটের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে।
ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত থাকায় সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এ ছুটি ভোগ করতে পারবেন না।
নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, ভোট গ্রহণের জন্য রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে কয়েক লাখ সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। সারা দেশের প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত এসব কর্মী সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির আওতামুক্ত থাকবেন।
তবে সাধারণ ছুটির দিনেও জরুরি পরিষেবাগুলো চালু থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস এবং বন্দরগুলোর কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। এ ছাড়া টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং এসব কাজে নিয়োজিত যানবাহন চলাচলের সুযোগ পাবে।
পাশাপাশি সব হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন। ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন এবং যেসব অফিসের কাজ সরাসরি জরুরি পরিষেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলোও খোলা থাকবে।
ইএইচ