ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ রাজধানীসহ সারাদেশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের সামনে র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সশস্ত্র উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।
সকাল ৭টার দিকে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ভোটকেন্দ্রের সামনে সেনাবাহিনীর সশস্ত্র টহল দেখা গেছে। একইভাবে মোহাম্মদপুর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রেও র্যাবের কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, সেখানে ১৩ হাজার ৮৮৪ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ব্যস্ততা শুরু হয়। প্রতিটি কেন্দ্রে রাজনৈতিক দলগুলোর পোলিং এজেন্টরা যথাসময়ে উপস্থিত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে এজেন্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২৬ হাজার ৫১৫ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মোট ৯ লাখ ১৯ হাজার ৩৫০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার সেনাবাহিনীর সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়াও নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্যরা দেশজুড়ে নির্বাচনী নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছেন।
মাঠে অপরাধ দমন ও তাৎক্ষণিক বিচারকাজ পরিচালনার জন্য ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সক্রিয় রয়েছেন। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে।
জেএইচআর