আসন্ন ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি আগামী ১৭ মার্চ থেকে শুরু হলেও ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখী মানুষ।
শনিবার সকাল থেকেই ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ করা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টেশনে যাত্রীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ভিড় এড়াতে অনেক চাকরিজীবী তাঁদের পরিবারের সদস্যদের আগেভাগে গ্রামে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদ্যালয়গুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরাও ফিরতে শুরু করেছেন নিজ বাড়িতে।
খুলনাগামী যাত্রী নোমান জানান, স্টেশনে যাত্রীদের চাপ থাকলেও অনলাইনে শতভাগ টিকিট বিক্রি হওয়ায় কাউন্টারের ভোগান্তি নেই। পরিবারের সদস্যদের লালমনিরহাটের ট্রেনে তুলে দিতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী তালহা জোবায়ের বলেন, ঈদের ঠিক আগমুহূর্তে ভিড় এবং ভোগান্তি কয়েক গুণ বেড়ে যায়, তাই ঝুঁকি না নিয়ে আগেই পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
ঈদযাত্রায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কমলাপুর স্টেশনে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্টেশনের প্রবেশমুখে দুই স্তরে টিকিট পরীক্ষা করা হচ্ছে। বৈধ টিকিট ছাড়া কাউকে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) আফতাব জানান, বিনা টিকিটের যাত্রীদের রোধ করতে তাঁরা তৎপর রয়েছেন।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আজ ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে মোট ৩০টি আন্তঃনগর ট্রেন ছেড়ে যাবে। এই ট্রেনগুলোতে সর্বমোট আসন সংখ্যা ২৮ হাজার ৯২৬টি। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলের ২৩টি ট্রেনে ১৬ হাজার ১৯৪টি এবং পশ্চিমাঞ্চলের ১৭টি ট্রেনে ১২ হাজার ৭৩২টি আসন বরাদ্দ রয়েছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আশা করছে, অনলাইনে টিকিট পদ্ধতির কারণে এবারের ঈদযাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক হবে।
জেএইচআর