ডিএনসিসি প্রশাসক

খালের জায়গার স্থাপনা সরিয়ে নিতে হবে

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, খালের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরিয়ে নিতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, গুটিকয়েক মানুষের কারণে পুরো মিরপুরবাসী ভোগান্তিতে পড়বে, তা মেনে নেওয়া হবে না।

বুধবার রাজধানীর কালসিতে সাংবাদিক কলোনি খালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, জনগণের টাকা ব্যয় করে বারবার খাল পরিষ্কার করার পরও যদি তা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তাহলে সেটি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজনে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, আপাতত আগামী এক সপ্তাহ খালটি পরিষ্কার করা হবে, যাতে এলাকাবাসী সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতা থেকে কিছুটা মুক্তি পায়। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক সমিতি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণে খালটিতে জলাবদ্ধতার সমস্যা তৈরি হয়েছে। একাধিকবার পরিষ্কার করার পরও অল্প সময়ের মধ্যেই খালটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাই এবার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, এলাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে খাল উদ্ধার এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখার কোনো বিকল্প নেই। অবৈধ দখলদারদের পুনর্বাসনের সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি বা সংস্থার জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করলে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই নিতে হবে। তবে মানবিক দিক বিবেচনায় কেউ সময় চাইলে আলোচনা সাপেক্ষে তা বিবেচনা করা হতে পারে।

এ সময় খাল ও ড্রেনে ময়লা ফেলা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, ড্রেন বা খাল ময়লা ফেলার জায়গা নয়। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। সবাই সচেতন না হলে শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

এম জি