রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মা-মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে র্যাব-৩ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
র্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা ও সৌদি প্রবাসী মোকাররম পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যার শিকার হন। ৫ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরকীয়া প্রেমিকা ও তার সহযোগী প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মোকাররমকে হত্যা করে। পরে মরদেহ আট টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর মাণ্ডা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়। এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হেলেনা বেগম ও তার মেয়ে হালিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে মুগদা থানার পুলিশ মাণ্ডা ১ম গলি এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি সাত টুকরো অবস্থায় পাওয়া গেলেও মাথা উদ্ধার করা যায়নি।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন জানান, মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ পলিথিনে মোড়ানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে অন্য কোথাও থেকে এনে ওই ভবনের বেজমেন্টে ফেলে রাখা হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া পিবিআই ঘটনাস্থল থেকে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
জেএইচআর