নিখোঁজের পর পুকুরে বস্তাবন্দি যুবকের লাশ উদ্ধার

ডামুড্যা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: অক্টোবর ২, ২০২২, ০২:৫৭ পিএম

শরীয়তপুরের ডামুড্যা পৌরসভায় নিখোঁজের দুইদিন পর পুকুর থেকে মো. আজিজুর রহমান মাসুম (৪০) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের ৬নং বিশাকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের পরিত্যক্ত পুকুর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

মো. আজিজুর রহমান মাসুম (৪০) পৌরসভার বিশাকুড়ি গ্রামের মো. আবদুল আলী জমাদ্দারের ছেলে। দুইভাই তিন বোনের মধ্যে মাসুম চতুর্থ। তিনি অগ্রনী ব্যাংক ডামুড্যা শাখার অফিস সহায়ক পদে চাকরি করতেন। তার দুই ছেলে আবির (৭) ও আলিফ (৩)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে নিখোঁজ হয় মাসুম। তারপর পরিবার ও স্বজনরা খুঁজে না পেয়ে শনিবার ডামুড্যা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নিহতর বড় ভাই মামুন। পরে আজ সকালে স্বজনরা বিশাকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের পরিত্যক্ত পুকুরে লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানায়। পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। গলায় গামছা পেচানো বস্তাবন্দি উলঙ্গ ছিল মাসুম।

নিহত মাসুমের স্ত্রী ফারজানা ইসলাম রিতিকা বলেন, আমি আমার বাবার বাড়িতে ছিলাম। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে মাসুমের সঙ্গে শেষ কথা হয়। আমার স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর এলাকা, স্বজনসহ এমন কোন যায়গা নাই যে খোঁজ করিনি। পরে বাড়ির পাশের স্কুলের ধারে পুকুরে অর্ধগলিত বস্তাবন্দি আমার স্বামীর লাশ পাওয়া যায়। যে বস্তায় বাঁধা হয়, সেই বস্তা ও গামছা আমাদের।  

তিনি বলেন, আমার দুইটা ছেলে তাদের বাবাকে হারিয়েছে। আমি হারিয়েছি স্বামীকে। যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসি দেয়া হোক।

শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লাশটি উদ্ধার করি। লাশের পরিচয় পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে বুঝা যাচ্ছে এটা একটি হত্যাকাণ্ড। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। মামলার প্রস্তুতি চলছে। যতদ্রুত সম্বব যারা এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

কেএস