খাগড়াছড়িতে খোলা হয়েছে ১১ আশ্রয়কেন্দ্র

পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধ প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৩, ০৯:০০ পিএম

খাগড়াছড়িতে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবেলায়  প্রস্তুতি সম্পন্ন ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে পাহাড়ে বসবাসরত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়ার জন্য মাঠে নেমেছেন জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, পৌরসভা, জেলা দুর্যোগ  ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা।

শনিবার (১৩ মে) বিকেল ৫টার দিকে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ণ কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

এদিকে খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে সকাল থেকে জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থানরত মানুষকে  নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য সতর্কতামূলক ঘোষণা জারি  করা হয়।

ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবেলায় আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শনে খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা, খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য কর্মকর্তা বাপ্পি চক্রবর্তী, জেলা দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় “মোখা” উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে অবস্থান করছে। কক্সবাজারে ১০ নম্বর মহাপবিপদ সংকেত ও চট্টগ্রাম সমূদ্রবন্দরসমূহকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মো:সহিদুজ্জামান  জানান, ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবের ক্ষয়ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে আসা এবং এর প্রভাবে কোনরকম বিদ্যুতের সমস্যা না হয়। শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সমস্যার সম্মুখীন না হয়। আমরা এখানে সাময়িকভাবে বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছি। পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষের জন্য। আশ্রয় কেন্দ্রে আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছি।খাগড়াছড়িতে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা মোকাবেলায়  সাময়িকভাবে ১১টি নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দুর্যোগের  আগাম বার্তা জানতে হটলাইন-১০৯৪১ নাম্বার কল চালু করা হয়েছে।

এআরএস