সুনামগঞ্জের মধ্যনগর

ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের একাধিক অভিযোগ

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৪, ০৫:৩৬ পিএম

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি মধ্যনগর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য গলহা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সত্তার।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সুবিচার চেয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দশটি লিখিত অভিযোগ করেন গলহা গ্রামের ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগসূত্রে জানা যায়, গলহা গ্রামের বাসিন্দা মন্তোষ মিয়ার কাছ থেকে টিউবয়েল দেয়ার কথা বলে উনিশ হাজার টাকা নেন অভিযুক্ত আব্দুস সত্তার। ভিজিডি কার্ড দেয়ার কথা বলে গলহা গ্রামের চিত্তরনজন দেবনাথের কাছ থেকে তিন হাজার, আলী হোসেনের কাছ থেকে তিন হাজার পাঁচশত, সুখময় দেবনাথের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, অসীম দেবনাথের কাছ থেকে তিন হাজার দুইশত টাকা, অঞ্জলি দেবনাথের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা, পলাশ দেবনাথের কাছ থেকে তিন হাজার দুইশত বিশ টাকা ও রানি দেবীর কাছ থেকে দুই হাজার টাকা।

এছাড়াও তিনি মাতৃত্ব ভাতার জন্য মিতু আক্তারের তিন হাজার, রুবিনা আক্তারের তিন হাজার পাঁচশত টাকা নিয়েছেন।
দেড় বছরের অধিক সময় পেরিয়ে গেলেও কোন সেবা না পেয়ে নিজের টাকা ফেরত চাইতে গেলেও ভয়ভীতি অপমান সূচক কথা প্রদর্শন করছেন ওই জনপ্রতিনিধি।

মধ্যনগর উপজেলা সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক মিয়া বলেন, আমার জানামতে আমাদের গ্রামের পুরুষ মহিলাসহ প্রায় আটটির উপরে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। নির্বাহী কর্মকর্তা সময় দিয়েছেন শুধরানোর জন্য কিন্তু উল্টো তাদের বাড়িতে এসে শাসিয়ে গেছে সাত্তার মেম্বার।

মধ্যনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ সরকার জানান, এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছ। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ৮নং ইউপি সদস্য আব্দুস সত্তারের সঙ্গে কথা বললে তিনি আমার সংবাদকে বলেন, ভিজিডি ও মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য যারা অভিযোগ করছে তাদের সঙ্গে আমার কোন যোগাযোগ নেই। একটি চক্রান্তকারী দল আমার মানহানি ও হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য লিপ্ত রয়েছে।

এ বিষয়ে মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সঞ্জীব রনজন তালুকদার টিটু বলেন, আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। সে যদি কোন অপরাধ করে থাকে সুবিচার হউক।

মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ চাকমা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তাকে ৪৮ ঘণ্টার সময় দিয়েছি। যদি সমাধান না হয়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইএইচ