বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে বিগত আট মাসে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে রোগীদের চিকিৎসা সেবার মান বাড়ানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা, বাস্তবায়িত উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
শেবাচিম বরিশালসহ আশপাশের ১০টিরও বেশি জেলার প্রায় দেড় কোটি মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল। ২০১৩ সালে হাসপাতালটি ১০০০ শয্যায় উন্নীত হলেও অবকাঠামো ও জনবল এখনও ৫০০ শয্যাপ্রতিবেশী। প্রতিদিন ৩,০০০-এর বেশি রোগীকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে সীমাবদ্ধতা দেখা দেয়।
গত ৮ মাসে সেবার মানোন্নয়নে নেওয়া পদক্ষেপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
নতুন ওটি চালু করা হয়েছে, সেখানে নিউরো সার্জারি হচ্ছে; মানসিক বিভাগ চালু; নতুন ১০০টি বেড সংযোজন ও কেবিন আধুনিকায়নের কাজ চলছে। রোগী হয়রানি রোধে দালাল, হকার ও বহিরাগতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় রয়েছে—৩,২০০ নার্স ও ৩,০০০ চিকিৎসক নিয়োগ, অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি, শিশু ওয়ার্ড স্থানান্তর, ৫০ বেডের নতুন আইসিইউ, এমআরআই ও ক্যাথল্যাব স্থাপন।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় হাসপাতালকে ৩,০০০ শয্যায় উন্নীত করা, পুরাতন ভবন ২০ তলা করা, নতুন ভবনগুলো উঁচু করা, রেফার্ড পদ্ধতি ছাড়া রোগী ভর্তি না করা ও জনবল নিয়োগ নিশ্চিত করা।
পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুনীর বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সকলের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা। হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আমরা কাজ করছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হবে।”
ইএইচ