দেবহাটার খেজুরবাড়িয়া এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই মানুষের বসতবাড়ি, চলাচলের রাস্তা ও মসজিদের ঈদগাহ পানিতে ডুবে যেত। দীর্ঘদিন ধরে পানিবাহিত রোগসহ নানা সমস্যায় ভুগছিলেন স্থানীয়রা।
বিষয়টি জানার পর দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কেএম আবু নওশাদ নিজেই ঘটনাস্থলে যান এবং এলাকার মানুষের ভোগান্তির কথা শোনেন।
পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ভূমি সহকারী কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলোচনা করে পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী সমাধান বের করেন। প্রায় ৩০ বছরের দীর্ঘ সমস্যার সমাধান হওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের ফলে জনদুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।
এদিকে উপজেলার নাজিরের ঘেরের বড়শান্তা ও ছোটশান্তা এলাকায় টানা বৃষ্টির কারণে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে এলাকায় লাখ লাখ টাকার ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ঘের মালিক পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকলেও ইচ্ছাকৃতভাবে পানি আটকে রেখেছিলেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিকরা বিষয়টি ইউএনও কেএম আবু নওশাদের কাছে লিখিতভাবে জানালে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে ইউএনও’র কঠোর নির্দেশে সব ঘের মালিক একই দিনে পানি ছাড়তে সম্মত হন। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পানি নিষ্কাশন করা গেলে জলাবদ্ধতা কেটে যাবে এবং কৃষক ও মৎস্যচাষিদের সম্ভাব্য ক্ষতি অনেকটাই হ্রাস পাবে।
ইএইচ