নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ৪নং গড়াডোবা ইউনিয়নের দুর্নীতির তিনটি অভিযোগ তদন্তকালে সাংবাদিক মহিউদ্দিনের সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষক হালিম মাস্টারের মারামারিতে ইউএনও ইমদাদুল হক তালুকদার আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গড়াডোবা ইউনিয়নে কিছু অভিযোগের তদন্ত শেষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুখময় সরকার ও ইউএনও ইমদাদুল হক তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।
তদন্ত চলাকালীন সাংবাদিক মহিউদ্দিন ও হালিম মাস্টারের মধ্যে কথা কাটাকাটির উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে মহিউদ্দিন হালিম মাস্টারের বুকে কিল ঘুষি মারে। হালিম মাস্টার মাটিতে লুটিয়ে পড়লে, ক্ষিপ্ত জনতা মহিউদ্দিনকে গণপিটুনী দিতে চাইলে ইউএনও তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন।
হালিম মাস্টার জানান, “অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসেছেন জানার পর সেখানে গিয়ে সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে প্রশ্ন করি যে, আপনি মিথ্যা খবর ছড়িয়েছেন কি না। তখন আমাকে কিল ঘুষি মারেন। জনতা তাকে পিটাতে চাইলে ইউএনও তাকে রক্ষা করতে এসে আহত হন।”
সাংবাদিক তানজিলা আক্তার রুবি জানান, মহিউদ্দিনের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়; তিনি কয়েকবার বমি করেছেন। তিনি এবং অভিযোগকারীর পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।
নেত্রকোণা সদর উপজেলার এমবিবিএস ডাক্তার মাজহারুল আমিন বলেন, ইউএনও ইমদাদুল হক তালুকদারের হাতের একটি আঙুল মচকে গেছে। গুরুতর আঘাত হয়নি; কপালে ফোলা ছিল। সাময়িক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, এরপর তিনি সিটিস্ক্যানের জন্য ময়মনসিংহ গেছেন।
ইউএনও ইমদাদুল হক তালুকদার বলেন, “গড়াডোবা ইউনিয়নে তদন্ত চলাকালীন এলাকায় জনতার উত্তেজনা দেখা দেয়। জনতা মহিউদ্দিনকে পিটাতে চাইলে আমি সহায়তা করতে গিয়ে ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুলে আঘাত পাই ও মচকে যায়। ঘটনা দুঃখজনক, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক।”
ইএইচ