বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, “সীমান্ত থেকে ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় বর্ডারগার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি) প্রত্যক্ষভাবে কাজ করে। শুধু পূজা সংক্রান্ত বিষয়গুলোই নয়, সাধারণ জনগণের যে কোনো সমস্যাতেই বিজিবি ওতপ্লোতভাবে জড়িত থাকে।”
দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের আওতায় থাকা তিনটি উপজেলা—বিয়ানীবাজার, বড়লেখা ও জুড়ীর সীমান্তবর্তী ৫৫টি পূজামন্ডপ এবং ব্যাটালিয়ন হেড কোয়ার্টারের দুই কিলোমিটার অভ্যন্তরে থাকা ৩টি মন্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি প্রত্যক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া ব্যাটালিয়ন হেড কোয়ার্টার ছাড়াও ৯টি টহল, ৯টি প্লাটুন বিজিবি এই এলাকায় মোতায়েন থাকবে।
লে. কর্ণেল আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “এ এলাকায় পূজা সংক্রান্ত যেকোনো রকম টহল, নিরাপত্তা এবং পূজা কমিটিকে সহযোগিতার জন্য বিজিবি প্রস্তুত থাকবে। পূজা শেষ হওয়া পর্যন্ত আমাদের নজরদারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম চলমান থাকবে। এছাড়া একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যেখানে যেকোনো সমস্যা বা হুমকির আশঙ্কা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো যাবে এবং সর্বোচ্চ সাপোর্ট পাওয়া যাবে।”
তিনি বৃহস্পতিবার বড়লেখা উপজেলার নিউ সমনবাগ চা বাগান দূর্গাপূজা মণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, আনছার ও সাধারণ ভক্তদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে পূজা উদাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে শারদীয় শুভেচ্ছা হিসেবে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন এবং মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়েও আলোচনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী, বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের সহকারি পরিচালক মাহফুজুর রহমান, থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, বড়লেখা উপজেলা মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. রুয়েল কামাল, সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইকবাল হোসেন, মণ্ড পরিচালনা কমিটির সভাপতি রাধেশ্যাম রিকমুন, সাধারণ সম্পাদক স্বপন চাষা, সাংগঠনিক সম্পাদক অজিত রবিদাসসহ গণমাধ্যমকর্মী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
লে. কর্ণেল মো. আরিফুল হক চৌধুরী আরও জানান, অন্যান্য প্রতিটি পূজামন্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বিজিবি মাঠে তৎপর থাকবে। এতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্বিঘ ও আনন্দঘন পরিবেশে দূর্গাপূজা উদযাপন করতে পারবেন।
ইএইচ