পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর পৈশাচিক অত্যাচার ও মারধরে স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৩৮) গুরুত্বর আহত ও জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, স্বামী সাইদুর রহমান পলাশ তার টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করলে প্রতিবাদ করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি মর্জিনা বেগমকে বর্বচিত কায়দায় মারধর করেছেন। গুরুত্বর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের কলেজ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। তাদের গ্রামের বাড়ি চম্পাপুর ইউনিয়নের দেবপুর গ্রামে।
আহত মর্জিনা বেগমের ভাই জুলহাস মোল্লা জানান, প্রায় ১১ বছর আগে মর্জিনা বেগম ও সাইদুর রহমান পলাশের বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই স্বামী তাকে বিভিন্নভাবে অত্যাচার করছে। মর্জিনার গর্ভের দুটি সন্তানও নষ্ট হয়েছে। মর্জিনা বেগম বিবাহের অনেক আগে থেকেই স্থানীয় কলেজ বাজারে টেইলার্সের দোকান চালিয়ে আসছিলেন। তার টাকা-পয়সা দেখেই লোভী পলাশ তাকে বিবাহ করেছিলেন। বিবাহের পর থেকে স্বামী বিভিন্ন অযুহাতে প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
সর্বশেষ, দুইটি দোকান ক্রয়ের জন্য মর্জিনা বেগম টাকা বায়না করলেও স্বামী তা নিজের নামে দলিল করেন। ঘটনার দিন মর্জিনা বেগম বিষয়টি জানতে চাইলে স্বামী তাকে বেধরক মারধর করেন, এতে তার মাথা ও শরীরে গুরুত্বর জখম হয় এবং রক্তাক্ত হন।
তবে এই বিষয়ে স্বামী সাইদুর রহমান পলাশ পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম তার ২৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, টাকা না দেয়ার কারণে তার স্ত্রী বিভিন্ন ধরনের নাটক সাজিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে এবং তিনি তার স্ত্রীকে মারধর করেননি।
ইএইচ