পাহাড়ি নারীদের হাতে তৈরি পণ্য নিয়ে রাঙামাটিতে ৩ দিনব্যাপী শুরু হয়েছে ৭ম সাবাংগী মেলা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সাবারাং রেস্টুরেন্টের মাঠে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে মেলার উদ্বোধন করেন সাবাংগী নারী উদ্যোক্তা সমিতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়।
সাবাংগী নারী উদ্যোক্তা সমিতির উদ্যোগে এই মেলায় ২৭টি স্টল বসানো হয়। সেরা উদ্যোক্তা হিসেবে দুইজন সদস্যকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পরে প্রদর্শনী মেলার স্টল ঘুরে দেখেন উপস্থিত অতিথিরা।
মেলায় ঘুরে দেখা গেছে, বাঁশ ও বেতের নান্দনিক পণ্য, হাতে তৈরি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পণ্য, কৃষিপণ্য থেকে প্রক্রিয়াজাত খাবার, পাহাড়ি ট্র্যাডিশনাল পোশাক, কোমর তাতের বস্ত্রপণ্যসহ পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবার প্রদর্শনী ও বিক্রির আয়োজন করেছে পাহাড়ের নারী উদ্যোক্তারা। ‘সাবাংগী’ চাকমা শব্দ। এর বাংলা অর্থ ‘এক ছায়ার নিচে কাজ করা কর্মসঙ্গী’।
সাবাংগী মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, শিক্ষাবিদ নিরূপা দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল দেওয়ান, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. ইসমাইল হোসেন, সাবেক মৎস্য কর্মকর্তা ইন্দুলাল চাকমাসহ অন্যান্য প্রমুখ।
নারী উদ্যোক্তা রেনেসা চাকমা বলেন, “নিজেদের পাশাপাশি পরিবার, সমাজ, জাতি ও দেশকে এগিয়ে নেওয়া নারীরা যেন অর্থনীতিতে সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারেন, এই বিশ্বাস থেকেই সাবাংগীর যাত্রা ও সংগ্রাম। নারীদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনাই হচ্ছে অন্যতম লক্ষ্য।”
ইএইচ