২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন চলাকালে ৩ আগস্ট মোরেলগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনকারীদেরকে বাধা ও মারপিটের অভিযোগে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ও মেয়রসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ ও তাতি লীগের ৯৮ জন নেতাকর্মীর নামে থানায় মামলা হয়েছে।
পুটিখালী ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মো. নুর ইসলামের ছেলে আব্দুর রহিম বাদী হয়ে শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার প্রধান আসামি মোরেলগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মনিরুল হক তালুকদার এবং ২ নম্বর আসামি সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন।
এ ছাড়াও উল্লেখযোগ্য এজাহারনামীয় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—অ্যাডভোকেট তাজিনুর রহমান পলাশ, হারুনুর রশিদ, জালাল উদ্দিন তালুকদার, আলমগীর হোসেন বাদশা, ফারুক খান, আরিফুজ্জামান আরিফ, অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া তারিক, সাইফুল শেখ, মহিদুজ্জামান মহিদ, নুরুন্নবী পরাগ, হাসিব খান, ওবাইদুল ইসলাম টিটু, ফারুক খান, কমিশনার সূজন, মোস্তাক বিল্লাহ রূপম, রাজ্জাক, মাহমুদুল হাসান জুয়েল, এনায়েত করিম রাজীব, ইলিয়াস হোসেন দুলাল ও ফারুক চৌকিদার। অজ্ঞাতনামা আসামি ১২০ জন।
মামলাটি শুক্রবার রাতে দায়ের হলেও রোববার ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়। এরপর থেকে নানা ধরনের বিতর্ক, আলোচনা, সমালোচনা চলছে চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে। মামলার ১ নম্বর সাক্ষী করা হয়েছে পৌর বিএনপির সভাপতি শিকদার ফরিদুল ইসলামকে। তিনি বিষয়টি সম্পর্কে আদৌ অবগত নন বলে দাবি করেছেন। সাংবাদিক সম্মেলন করে বিষয়টির প্রতিবাদ জানাবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ভবতোষ রায় বলেন, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ বেশ কিছু ধারায় মামলাটি রুজু হয়েছে। মোট আসামি ৯৮ জন। কোনো আটক নেই।
ইএইচ