ইউএনওর ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের চিত্র

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১২, ২০২৫, ০৪:৩৩ পিএম

৯টি ইউনিয়ন নিয়ে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা গঠিত। ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে মো. জিল্লুর রহমান যোগদানের পর তার দক্ষতায় পাল্টে যাচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের চিত্র। এই উপজেলাকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো গোছানোর কাজ করে যাচ্ছেন সরকারের মাঠ প্রশাসনের এই কর্মকর্তা।

অবকাঠামো উন্নয়নসহ সার্বিক কর্মকাণ্ডে ফিরে এসেছে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা। জনসেবার মানও বেড়েছে। প্রশাসনিক কাঠামো হয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী। দীর্ঘদিনের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বেড়াজাল ছিন্ন করে নবাবগঞ্জকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাওয়া বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিল্লুর রহমান।

তিনি অত্যন্ত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও সুনামের সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। নবাবগঞ্জ উপজেলার সব অফিসের সেবার ব্যাপারে তিনি খুব সোচ্চার থাকেন এবং সব দপ্তরের সঙ্গে সুন্দর সমন্বয় সাধন করেন। প্রত্যেক দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে তিনি একজন সৎ ও আদর্শ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত।

তার বিভিন্ন শিক্ষাবান্ধব কর্মকাণ্ডের জন্য সব পর্যায়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাকে খুবই পছন্দ করেন। শিক্ষায় এনেছেন ব্যাপক গতিশীলতা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইউএনও মো. জিল্লুর রহমান ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাসীর মাহফুজ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। এতে নাগরিকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি যেমন কমেছে, তেমনি শহরে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে অনেকটা। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা জনগণের সেবার কথা চিন্তা করে রাতেও অফিসে সেবাগ্রহীতাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়াও উপজেলার ডাকবাংলোর সামনে ইউএনও’র প্রচেষ্টায় দৃষ্টিনন্দন 'আই লাভ নবাবগঞ্জ' এবং ঐতিহাসিক সীতাকোটের সামনে 'সীতাকোট বিহার' লেখা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।

তারা আরও জানান, "একজন সরকারি কর্মকর্তাকে বন্ধের দিনও অফিসে এসে পাওয়া যায়। এর চেয়ে বড় সেবা আর হতে পারে না। উপজেলার যেকোনো সমস্যায় ইউএনও জিল্লুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মুনতাসীর মাহফুজ তাৎক্ষণিক সমাধান করার চেষ্টা করেন। এই উপজেলার উন্নয়নের জন্য তাদের মতো অফিসার প্রয়োজন আছে।"

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলার ইউএনও মো. জিল্লুর রহমান বলেন, "এখানে ইউএনও'র দায়িত্ব পেয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। স্থানীয় নাগরিকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সুধীজন ও সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করতে সহজ হয়েছে। এবং সাধারণ মানুষের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। সার্বিক বিষয়ে বলতে গেলে ইউএনও হিসেবে এগুলো আমার দায়িত্ব।"

ইএইচ