রাঙামাটি পার্বত্য জেলার শীতার্ত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আবারও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। মো. হাবীব আজমের উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ ঘটিকায় কাঠালতলী গোডাউন সংলগ্ন মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. তারেক সেকান্দার। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বাবু দয়াল দাশ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাঠালতলী জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. বাবুল আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, কাঠালতলী মৈত্রী বিহারের সভাপতি বাবু পুর্নেন্দু বিকাশ চাকমা এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. মাইনুদ্দিন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, হিল সার্ভিসের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ সিদ্দিক, বনরূপা ব্যবসায়ী সমিতির দপ্তর সম্পাদক মো. বেলাল এবং কাঠালতলী দুর্গা মাতৃ মন্দিরের দুর্গা উৎসব পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবু পুলক শীল।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য এবং পর্যটন ও নার্সিং ইনস্টিটিউটের আহ্বায়ক মো. হাবীব আজম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হিলফুল ফুযুল যুব সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি ওমর মোরশেদ।
সভাপতির বক্তব্যে মো. হাবীব আজম বলেন, “শীত শুধু একটি ঋতু নয়, এটি অসহায় মানুষের জন্য এক কঠিন বাস্তবতা। আমি বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব কেবল সভা-সমাবেশে সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত সেবা। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একে অপরের পাশে দাঁড়ালে সমাজ হবে আরও সুন্দর ও মানবিক। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারেক সেকান্দার বলেন, “মো. হাবীব আজম একজন মানবিক জনপ্রতিনিধি। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ সমাজের অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।”
আমন্ত্রিত ও বিশেষ অতিথিরাও তাদের বক্তব্যে বলেন, “শীতার্তদের পাশে দাঁড়িয়ে মো. হাবীব আজম যে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতা বৃদ্ধি করছে।”
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন। স্থানীয় এলাকাবাসী এই মানবিক উদ্যোগের জন্য মো. হাবীব আজমের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
ইএইচ