সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলার এক আসামিকে পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক করায় তীব্র ক্ষোভে নবগঠিত কমিটির ৬ জন নেতা একযোগে পদত্যাগ করেছেন।
শনিবার ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি ৬ সদস্য পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
গত ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত ৮ সদস্যের আংশিক কমিটিতে গাজী এনামুল হক সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এ ঘোষণার পরপরই স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে ফেনীর মহিপালে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সুজন ২৮ জন আসামির একজন (২৫ নম্বর)। যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলনের দায়ের করা এ মামলাটি ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর ফেনী সদর আমলি আদালত আমলে নেয়। বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটির তদন্ত করছে।
নেতাকর্মীরা বলছেন, নেত্রীর ওপর হামলার মামলার আসামিকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া যায় না। এই দাবিতেই তারা পদত্যাগ করেছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত গাজী এনামুল হক সুজন দাবি করেছেন, রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু বলেন, সুজন যুবদলের পরীক্ষিত কর্মী। তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। বিষয়টি জেলা বিএনপি ও যুবদলের শীর্ষ নেতারা জানেন।
পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী বলেন, “আমরা তার মামলার বিষয়টি আগে জানতাম না। এ নিয়ে অন্যরা পদত্যাগ করেছেন। আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তৃণমূলের এই অসন্তোষ ফেনী যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে আরও সামনে এনেছে।
এএন