আলমডাঙ্গায় অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানা সিলগালা, জরিমানা ৫০ হাজার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরির অপরাধে একটি কারখানা সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এসময় শিশুদের খাদ্যে ক্ষতিকর ইন্ডাস্ট্রিয়াল রং মেশানোর দায়ে কারখানা মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রোববার দুপুরে উপজেলার হাউসপুর এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, হাউসপুর এলাকার মো. সাজেদুর রহমানের মালিকানাধীন ‘লোটাস সুপার আইসক্রিম’ কারখানায় কোনো প্রকার বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি করা হচ্ছিল।

বিশেষ করে শিশুদের আকর্ষণ করতে আইসক্রিমে মানবদেহের জন্য চরম ক্ষতিকর অননুমোদিত ইন্ডাস্ট্রিয়াল রং ও ফ্লেভার ব্যবহার করা হচ্ছিল।

ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৪৩ ধারায় অপরাধ স্বীকার করায় প্রতিষ্ঠানটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে বৈধ লাইসেন্স গ্রহণ না করা পর্যন্ত কারখানার যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়ে সেটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। অভিযানকালে কারখানায় থাকা সাতটি ফ্রিজ ভর্তি অননুমোদিত আইসক্রিম জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

আইসক্রিম কারখানায় অভিযান শেষে ভোক্তা-অধিকারের টিমটি মুন্সিগঞ্জ বাজারের ভোজ্য তেলের ডিলার ও বিভিন্ন দোকানে তদারকি করে। এসময় ব্যবসায়ীদের মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ও মানহীন পণ্য বিক্রয় না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। তদারকিতে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম সহযোগিতা করেন। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় জেলাজুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

জেএইচআর