‘অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়, প্রতিটি জীবন মূল্যবান’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বরিশালে নানা আয়োজনে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কমপ্লেক্স ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অবহেলা না করে পরম যত্নে গড়ে তুললে তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটে। তারা সমাজ বা পরিবারের বোঝা নয়, বরং যথাযথ পরিচর্যা ও ভালোবাসা পেলে সম্পদে পরিণত হতে পারে।
প্রতিবন্ধকতাকে সীমাবদ্ধতা না ভেবে তাদের সুপ্ত সম্ভাবনা বিকাশে কাজ করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, অটিজম আক্রান্ত শিশুরা এখন সঠিক নির্দেশনায় নিজেদের দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ডেও অসাধারণ মেধার পরিচয় দিচ্ছে। এসব শিশুর লালন-পালন অত্যন্ত ধৈর্য ও পারিবারিক সহযোগিতার বিষয়। পরিবারের সহানুভূতি ও সামাজিক সমর্থন পেলে তারা সমাজে নিজেদের যোগ্য স্থান করে নিতে সক্ষম হবে।
আলোচনা সভা শেষে ৪ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর হাতে ‘সুবর্ণ নাগরিক কার্ড’ তুলে দেন প্রধান অতিথি। এটি তাদের রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তিতে সহায়ক হবে।
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক সাজ্জাদ পারভেজের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক স্বপন কুমার মুখার্জী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক মো. লিটন, ফিজিও কনসালটেন্ট সাইফুল ইসলাম সালোকী, প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম এবং বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি ও অভিভাবকরা।
জেএইচআর