চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা মজলিসে শুরার বার্ষিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগনগর কিন্ডারগার্টেন স্কুলের হলরুমে এই অধিবেশন শুরু হয়।
অধিবেশনের শুরুতে সূরা হাশরের ১৮ নম্বর আয়াতের ওপর দারসুল কুরআন পেশ করেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমান। এরপর স্ব-স্ব বিভাগীয় দায়িত্বশীলরা তাঁদের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট পেশ করেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির রুহুল আমিন বলেন, একজন ইয়াতিমকে লালন-পালন করতে পারলে তিনি সমাজের বোঝা থেকে মুক্ত হবেন।
দায়িত্বশীলদের নিয়মিত গ্রাম-গঞ্জে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, আমাদের সময় দানের ৫০ শতাংশ দাওয়াতী কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে। কুরআনের দৃষ্টান্ত অনুযায়ী আমাদের মুসলমান থাকা অবস্থায় যেন মৃত্যু হয়, সেই চেষ্টা করতে হবে। আমরা মায়ের পেট থেকে যেমন নিষ্পাপ হয়ে দুনিয়ায় এসেছি, মৃত্যুর পরও যেন নিষ্পাপ হয়ে কিয়ামতের ময়দানে উঠতে পারি।
অধিবেশনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ন্যায় আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও সকলকে কাঁধে কাঁধ রেখে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
অধিবেশনে বার্ষিক সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান। এ ছাড়া অন্যান্য বিভাগের মধ্যে ব্যবসা ও চেম্বার বিভাগের রিপোর্ট পেশ করেন সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, অর্থ বিভাগের রিপোর্ট জেলা অর্থ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, প্রশিক্ষণ (তারবিয়াত) বিভাগের রিপোর্ট জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হক এবং সমাজকল্যাণ বিভাগের রিপোর্ট পেশ করেন আলতাফ হোসাইন।
প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের রিপোর্ট পেশ করেন মফিজুর রহমান জোয়ার্দ্দার, মানবসম্পদ বিভাগের রিপোর্ট কায়ুম উদ্দিন হিরোক, শ্রম বিভাগের রিপোর্ট মহসিন আলী, যুব বিভাগের রিপোর্ট নূর মোহাম্মদ হোসাইন টিপু, তালিমুল কুরআন বিভাগের রিপোর্ট মাওলানা মহিউদ্দিন এবং ওলামা বিভাগের রিপোর্ট পেশ করেন মাওলানা ইসমাইল হোসেন।
জেএইচআর