এবার নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশু কন্যার চিকিৎসা করাতে আসা মায়ের ওপর জোরপূর্বক ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক সুইপারের বিরুদ্ধে।
কন্যা শিশুর অসুস্থতা নিয়ে চার দিন আগে সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হন নাটোর পৌরসভার বড়গাছা এলাকার এক নারী।
গত রোববার রাত ১০টার দিকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে ওই নারীকে হাসপাতালের ৬ তলার সিঁড়িঘরে নিয়ে যায় আউটসোর্সিং সুইপার অমিত।
এরপর সেখানে তাঁকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এ সময় সেই ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করে অমিতের দুই সহযোগী ও হাসপাতালের আউটসোর্সিং সুইপার অনিল এবং প্রাঙ্গণ।
এরপর সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে ভুক্তভোগীকে আবারও ধর্ষণ করার চেষ্টা চালায় তারা।
এদিকে রাত ২টার দিকে শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স ও ওয়ার্ডবয়রা শিশুকে চার ঘণ্টা একা দেখে তার মাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সাহায্য চান।
এরপর সবাই মিলে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সিসি ক্যামেরা দেখে ৬ তলায় গিয়ে হাতেনাতে ধরেন তাদেরকে।
এরপর তাদেরকে উদ্ধার করে আনসার সদস্যরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়ে আসেন এবং ঘটনার জবানবন্দি মুঠোফোনে রেকর্ড করেন। সেখানে ভুক্তভোগী নারী ঘটনার বর্ণনা করেন এবং তিন সুইপারও তাদের অপরাধ স্বীকার করে।
বিষয়টি জানাজানি হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশের সাথে পরামর্শ করে সুইপারদের ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভুক্তভোগী নারীকে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় সদর থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভুক্তভোগীর স্বামী।
এএন