জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের কামালখান বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ১২টি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাজারের বড় ধরনের একটি ওষুধের দোকান মেসার্স দিদার মেডিকেল হল।
মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংক কনসালটেশন বিভাগের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দিদার মেডিকেল হলের মালিক সোহেল আহমেদ রিপন বলেন, ড্রাগ লাইসেন্স নং- জামালপুর ২৪২। ওষুধের দোকানটি ছিল এলাকাবাসীর ভালো মানের ওষুধ নেওয়ার একমাত্র ভরসা, তা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
সোহেল আহমেদ আরও বলেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পাশের একটি দোকান থেকে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। বাজারের ছোট, বড় ও মাঝারি ধরনের ১২টি দোকান নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে দিদার মেডিকেল হলে থাকা সমিতির এফডিআর-এর কাগজ, ড্রাগ লাইসেন্স, ওষুধ ও নগদ টাকাসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা পুষিয়ে নিতে অনেক কষ্ট হবে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম আকন্দ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। এ সময় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা কিছু মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হন। অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অর্ধকোটি টাকার মতো হবে বলে জানা গেছে।
আগুনে পুড়ে গেছে দিদার মেডিকেল হল, আবু সামার ইলেকট্রিক দোকান, বিমল চন্দ্র সাহার হোটেল, ফজলুর রহমানের হোটেল, অজিজুর রহমানের দোকান, হারুনুর রশিদের দোকান, মুসলিম উদ্দিনের দোকান এবং আব্দুর রশিদের লেপ-তোষক দোকানসহ কমপক্ষে ১২টি দোকান।
এএন