বর্ণাঢ্য আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

রাকিবুল হাসান, রাজশাহী প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম

আনন্দ-উচ্ছ্বাস, বর্ণিল আয়োজন এবং উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। 

সোমবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিবসটি পালন করা হয়।

সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম এবং ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এবং রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. শাহজাহান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, আবাসিক হলের প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে উপাচার্য ও আমন্ত্রিত অতিথিদের নেতৃত্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিনেট ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর ক্যাম্পাস চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পরে সিনেট ভবনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি এবং গণতান্ত্রিক চর্চায় অনন্য অবদান রেখে আসছে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়টি ভবিষ্যতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তাঁরা।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, গৌরবের ৭৩ বছর পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অগ্রযাত্রা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তার অনন্য অবস্থান ও গৌরবময় অবদান ভবিষ্যতেও ধরে রাখবে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো দিনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

জেএইচআর