দিনাজপুরের ভাইগড় সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় ৯ নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবির প্রতিরোধে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এ ঘটনায় সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিরামপুর উপজেলার ভাইগড় সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। ঘাসুড়িয়া বিওপির কোম্পানি কমান্ডার টি আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শনিবার ভোররাতে ঘাসুড়িয়া সীমান্তের ওপারে ভারতের শ্রীরামপুর এলাকার ২৯১ পিলারের ২০-এস এলাকা দিয়ে তাদের পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি সদস্য ও গ্রামবাসীর প্রতিরোধের ফলে তাদের সরিয়ে নেয় বিএসএফ সদস্যরা। এতে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সদস্যরা জড়ো হতে থাকে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। ফলে পুশইনের চেষ্টা পণ্ড হওয়ায় তারা আবারও ভারতে ফিরে যায়।
স্থানীয় ষাটোর্ধ্ব আব্দুল আজিজ জানান, ভোরে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের বাঁশির শব্দ শুনে ঘুম থেকে উঠি। বাড়ি থেকে বাইরে এসে দেখি ৯ জন নারী বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। এ সময় গ্রামবাসী তাদের প্রতিহত করে।
তিনি বলেন, “আমরা ভোর থেকে এখনো পুরো গ্রামবাসী এখানে অবস্থান করছি। তবে সকাল থেকে বিএসএফ সদস্যদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।”
স্থানীয় কাটলা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য শুকুর আলী জানান, শনিবার ভোরে ভাইগড় সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সদস্যরা ৯ জন নারীকে জোর করে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। পরে গ্রামবাসী ও বিজিবি সদস্যরা তাদের প্রতিহত করেন। সকালে ওই এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে ভাইগড় বিওপির কোম্পানি কমান্ডার টি আলম জানান, ভারত থেকে অবৈধ পথে ৯ জন নারীকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে বিজিবি সদস্যরা তাদের ভারতীয় সীমান্তে ফেরত পাঠায়।
তিনি বলেন, “সীমান্ত দিয়ে কোনো ভারতীয় নারী যেন বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বিজিবি টহল বৃদ্ধি করেছে।”
এএন