অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যেকোনো সংকটে বাংলাদেশকে এডিবি, বিশ্বব্যাংকসহ উন্নয়ন সহযোগীরা সহায়তা দিতে আগ্রহী। তবে বর্তমান প্রক্রিয়ায় বাণিজ্য প্রস্তাব বা সহায়তা প্যাকেজ কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, সেটিই এখন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় দুপুরে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বব্যাংক ও ইউএস চেম্বার ভবনে এক গোলটেবিল বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, জ্বালানি, ভোগ্যপণ্য ও আইসিটি খাতে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঋণের চাপের মধ্যেও রয়েছে। জ্বালানি, ভোগ্যপণ্য ও আইসিটি খাতসহ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতার বিষয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, ভোগ্যপণ্য সরবরাহ ও আইসিটি খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে এসব খাতে বিনিয়োগেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।
সৃজনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী ব্যারোনেস জেনি চ্যাপম্যানের সঙ্গেও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পাশাপাশি বাজেট ঘাটতি পূরণে জাইকার সঙ্গে আলোচনাও ফলপ্রসূ হয়েছে।
এদিন বিশ্বব্যাংক ভবন ও ইউএস চেম্বার অব কমার্স ভবনে একাধিক বৈঠকে অংশ নেয় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল। গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরসহ ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা। এছাড়া যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী ব্যারোনেস জেনি চ্যাপম্যান, আটলান্টিক কাউন্সিল এবং জাইকার প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেন।
এম জি