জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রহস্যজনকভাবে নাম সংযোজন ও বিয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের এই পদক্ষেপকে নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ও পক্ষপাতমূলক বলে দাবি করছেন সাধারণ প্রার্থীরা।
অভিযোগ উঠেছে, নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীকে বিশেষ সুবিধা দিতেই তিন দিন আগে প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় এই পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। জকসু বিধিতে চূড়ান্ত তালিকার পর এমন সংশোধনের কোনো সুযোগ না থাকলেও কমিশন গোপনে প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করেছে। কার্যনির্বাহী সদস্য পদপ্রার্থী জাহিদ হাসান এই গোপন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "খসড়া তালিকার সময়ই সংশোধনের সুযোগ ছিল, এখন এমন উদ্যোগ কমিশনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।"
ভিপি প্রার্থী মো. রাকিব হাসান কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, "প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই একটি নির্দিষ্ট প্যানেলের প্রতি পক্ষপাত দেখাচ্ছেন। নাম পরিবর্তনের এই চেষ্টা একটি পাতানো নির্বাচনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।"
এ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. মোস্তফা হাসান জানান, কয়েকজন প্রার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্ত তালিকার পর এমন পরিবর্তন জকসু বিধির লঙ্ঘন কি না, এমন প্রশ্নে তিনি কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা না দিয়ে এড়িয়ে যান। কমিশনের এমন বিতর্কিত ভূমিকায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও সংশয় বাড়ছে।
ইএইচ