আজ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস

রুহুল আমিন, যবিপ্রবি প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোরকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার প্রত্যয়ে ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)।

একবিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাজিয়ালী মৌজায় ৩৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাথমিকভাবে শহরের ধর্মতলা এলাকায় ‘বৃষ্টি মহল’ বেসরকারি ভবনে কার্যক্রম শুরু করেছিল।

২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, অণুজীববিজ্ঞান এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স এই চারটি বিভাগে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। 

একই বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয় বর্তমান মূল ক্যাম্পাসে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টি সাতটি অনুষদের অধীনে ২৮টি বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ক্যাম্পাসে রয়েছে চারটি বহুতল ভবন কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবন, স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন, মাইকেল মধুসূদন দত্ত লাইব্রেরি কাম একাডেমিক ভবন এবং ডা. এম আর খান মেডিকেল ভবন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। 

এছাড়া ৪৫৮ জন শিক্ষক, ১৮০ জন কর্মকর্তা এবং দৈনিক মজুরিভিত্তিকসহ প্রায় ২৯০ জন কর্মচারী শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন উপাচার্য দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ সালের ২০ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ৮ এপ্রিল পর্যন্ত অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, ২০০৯ সালের ৯ এপ্রিল থেকে ২০১৭ সালের ৮ এপ্রিল পর্যন্ত অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার, ২০১৭ সালের ২০ মে থেকে ২১ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে বর্তমানে প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মজিদ উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মজিদ ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে বলেন, “প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গুণী ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী ও এলাকাবাসীর অবদান অসামান্য। ১৯ বছরে বিশ্ববিদ্যালয় দেশের প্রথম সারির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 

সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে দেশের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করেছে। ভবিষ্যতে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে আরও উন্নত গবেষণা ও শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে। আমি আশা করি যবিপ্রবি দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখতে পারবে।”

ইএইচ