আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ কর্মরত শিক্ষকদের পরীক্ষা সংক্রান্ত গোপনীয় কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে ই-টিআইএফ (e-TIF) ফরম পূরণে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রধান পরীক্ষক হওয়ার লক্ষ্যে অনেক শিক্ষক প্রকৃতপক্ষে 'মাস্টার ট্রেইনার' না হওয়া সত্ত্বেও তথ্য ফরমে ভুল তথ্য প্রদান করেছেন। বোর্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, যারা প্রকৃতপক্ষে মাস্টার ট্রেইনার নন, কিন্তু ওই কলামে ভুল তথ্য এন্ট্রি করেছেন, তাদের অনতিবিলম্বে ডাটা সংশোধন করতে হবে।
অন্যথায় এই ধরনের প্রতারণামূলক তথ্য প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে তথ্য সত্যায়নকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠান প্রধানও নিজের দায় এড়াতে পারবেন না।
বোর্ডের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে সকল প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষকদের ই-টিআইএফ পূরণ নিশ্চিত করে বোর্ডে পাঠাতে হবে। পরীক্ষা কার্যক্রমের গোপনীয়তা ও মান বজায় রাখতে তথ্যের সঠিকতা যাচাইয়ে বোর্ড এবার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
জেএইচআর