তাইওয়ানের চীনের সামরিক মহড়া

মো. মাসুম বিল্লাহ প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২২, ১২:১৭ পিএম

চীনের কঠোর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও তাইওয়ানে অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেইজিং তাইওয়ানের সমুদ্র ও আকাশ সীমায় সামরিক মহড়া শুরু করেছে। শুধু তাই নয় যে কোনো সময় হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তাইওয়ান সরকার চীনের এ পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আকাশ ও সমুদ্রসীমা অবরোধ করা হচ্ছে। তাইওয়ানের অঞ্চলে আগ্রাসন চালানো হচ্ছে।

টুইটারে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, মঙ্গলবার ২১টি পিএলএ বিমান তাইওয়ানের দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ এলাকায় ঢুকে পড়ে।

স্বায়ত্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজের এলাকা বলে মনে করে বেইজিং।

এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্র চীনকে দমন করার জন্য তাইওয়ানকে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।

এতে আরও বলা হয়, এটি ক্রমাগত এক চীন নীতিকে লঙ্ঘন করে, তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ বাড়ায় এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উৎসাহ দেয়। এসব পদক্ষেপ আগুন নিয়ে খেলার মতো, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। যারা আগুন নিয়ে খেলা করে তারা এতে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।

বিবৃতিতে তাইওয়ানকে ‘চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে’ অভিহিত করা হয়।

চীন বলছে, তাইওয়ান প্রশ্নে মুখে এক কথা বলা কিন্তু কাজে এর বিপরীতটি করা বন্ধ করা উচিত যুক্তরাষ্ট্রের। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পেলোসির সফর ‘এক চীন নীতি এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ তিনটি ইশতেহারের বিধানের গুরুতর লঙ্ঘন’।

তবে পেলোসির দাবি, তার তাইওয়ান সফর সম্পূর্ণরূপে তাইওয়ান সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এর আগে, মঙ্গলবার রাতে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তাইওয়ানের উত্তর, দক্ষিণ-পশ্চিম এবং উত্তরপূর্বাঞ্চলে যৌথভাবে আকাশ ও সমুদ্রে চীনের মহড়া চলবে। তাইওয়ান প্রণালীতে দীর্ঘ পাল্লার ‘লাইভ ফায়ারিং’ করা হবে।


ইএফ