যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র শীতকালীন ঝড়ের কবলে পড়েছে দেশটির ২০ কোটি মানুষ। ঝড়ের কারণে শুক্রবার ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎবিছিন্ন হয়ে পড়েছে। বাতিল হয়েছে কয়েক হাজার ফ্লাইট। ইতোমধ্যেই অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, সাউথ ডাকোটায় ভারি তুষারপাতের কারণে আটকা পড়া আমেরিকার স্থানীয় নৃগোষ্ঠীর কিছু বাসিন্দা জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার পর জামাকাপড়ে আগুন ধরিয়ে নিজেদের উষ্ণ রাখার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে।
ঝড়ের তাণ্ডব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে কানাডার অন্টারিও ও কুইবেক প্রদেশে, এখানে লাখ লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। দেশটির বাকি অধিকাংশ অংশে, ব্রিটিশ কলম্বিয়া থেকে নিউফান্ডল্যান্ড পর্যন্ত, চরম শৈত্য প্রবাহ ও শীতকালীন ঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, দেশের কিছু অংশে এই সপ্তাহের শেষ নাগাদ তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৪৫ থেকে ৫৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস নিচে পর্যন্ত নেমে আসতে পারে।
তারা আরও সতর্ক করেছে যে, আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডেস মোনেসের মতো বড় মেট্রো শহরেরও, ফ্রস্টবাইট বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
সাধারণত রক্ত প্রবাহ কমে গেলে, প্রায়শই নাক, গাল বা হাত পায়ের আঙ্গুলে ফ্রস্টবাইট হতে পারে। শরীরে উষ্ণ রক্ত প্রবাহের অভাবে ত্বকের টিস্যু জমে গিয়ে ফেটে যেতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে অঙ্গহানি পর্যন্ত হতে পারে।
এদিকে, কেনটাকি, নর্থ ক্যারোলাইনা, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, নিউ ইয়র্ক, জর্জিয়া এবং ওকলাহোমা রাজ্যের গভর্নররা নিজ নিজ অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। ছবি: নিউজউইক
এআই