কোটি মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে চিরবিদায় নিলেন বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ৮০ বছর বয়সে তার প্রয়াণ এবং জানাজায় লাখো মানুষের অভূতপূর্ব সমাগম কেবল দেশের ভেতরেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও বিশেষ গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে।
বিশ্বের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলো এই মহীয়সী নেত্রীর প্রস্থানকে একটি 'যুগের অবসান' হিসেবে অভিহিত করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, "বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদার জানাজায় মানুষের শোক।"
আরেক প্রভাবশালী মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান শিরোনাম করেছে, "একটি যুগের অবসান: নিজেদের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীকে সমাহিত করল বাংলাদেশ।"
মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা লিখেছে, "শোকাহত বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় জানাজায় বিপুল জনতার সমাগম।"
তুরস্কের টিআরটি এবং ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি বেগম জিয়ার জানাজাকে রাষ্ট্রীয় শোক ও সম্মানের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
আঞ্চলিক গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে ভারতের এএনআই জানাজায় মানুষের ঢলকে ‘জনসমুদ্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। পাকিস্তানের জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ডন তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, "শোকাহতদের নেতৃত্বে তারেক রহমান; খালেদা জিয়াকে ঢাকায় দাফন।"
মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বার্নামা এবং অস্ট্রেলিয়ার এবিসি নিউজ তাঁর জানাজায় মানুষের অংশগ্রহণ এবং স্বামীর কবরের পাশে সমাহিত হওয়ার সংবাদটি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা এবং ফরাসি গণমাধ্যম লঁ মন্ত উল্লেখ করেছে, হাজার হাজার মানুষ দীর্ঘ পথ কফিনের পেছনে হেঁটে তাঁদের প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন। এ
ছাড়া পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস নিউজ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের এই জানাজায় অংশগ্রহণের বিষয়টি তাদের শিরোনামে তুলে ধরেছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর এই ব্যাপক কভারেজ প্রমাণ করে যে, বিশ্ব রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিত্ব ও অবদান কতটা অনস্বীকার্য ছিল।
ইএইচ