ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করতে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যা চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় নতুন গতি সঞ্চার করেছে।
শনিবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এক কর্মকর্তা জানান, আলোচনার আগে এটি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘সদিচ্ছার পরীক্ষা’। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে যে ওয়াশিংটন এই আলোচনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের সঙ্গে সম্পর্কিত। ইরান যদি সেখানে বাধাহীন নৌ চলাচল নিশ্চিত করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র জব্দ সম্পদ ছাড়তে প্রস্তুত।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ এবং জব্দ সম্পদ মুক্ত না হলে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে না তেহরান।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের তেলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির বিপুল অর্থ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আটকে রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর প্রায় ৪০ দিন সংঘাত চলে দুই পক্ষের মধ্যে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও তা শুরু থেকেই নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে নতুন করে হামলা চালানো হবে। এজন্য সামরিক প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সূত্র: রয়টার্স
এএন