পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটে ক্রেতা সংকট, চরম বিপাকে খামারিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গবাদি পশু কেনাবেচা ও হাট পরিচালনায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জোরদার হওয়ায় বাজারে দেখা দিয়েছে তীব্র মন্দা। ক্রেতা কমে যাওয়ায় অনেক পশুর হাট কার্যত ফাঁকা হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় খামারিরা বলছেন, সারা বছর ঋণ করে গরু লালন-পালন করলেও মৌসুমে বিক্রি করতে না পারায় তারা চরম আর্থিক চাপে পড়েছেন। অনেক খামারি হতাশা প্রকাশ করে আত্মহত্যার হুমকিও দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অনুমোদন, পশুর বয়স যাচাই, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সরকারি পশু চিকিৎসকের সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গর্ভবতী পশু জবাই নিষিদ্ধ এবং প্রকাশ্যে জবাইয়ের ওপরও রয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা।

এসব বিধিনিষেধের কারণে ক্রেতারা হাটে আসতে অনাগ্রহী হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ খামারিদের। ফলে বিক্রি প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

মুর্শিদাবাদসহ একাধিক জেলার পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, ক্রেতা ও ব্যবসায়ীর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এতে ক্ষুদ্র খামারি ও পশু ব্যবসায়ীদের আয় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

খামারিদের দাবি, পশুর বয়স নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য নথির অভাব এবং প্রশাসনিক জটিলতা মাঠপর্যায়ে হয়রানির কারণ হচ্ছে।

এ অবস্থায় দ্রুত সমাধান না এলে প্রান্তিক খামারি পরিবারগুলো বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এএন