আমরা একটি অধিদপ্তরের অধীনে থাকতে চাই: রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি

মো. মাসুম বিল্লাহ প্রকাশিত: মার্চ ২১, ২০২৩, ০১:৪৭ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, সারাদেশে নিরাপদ খাদ্যের বাস্তবায়ন। বাংলাদেশ রেস্তেরাঁ মালিক সমিতি প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণার সাথে একাত্মতা পোষণ করে কাজ করে যাচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তরের অসহযোগিতা ও সমন্বয়হীনতা।

প্রধানমন্ত্রী, ১২টি অধিদপ্তর আমাদেরকে মনিটরিং করে যাচ্ছে, বছরের পর বছর আমরা বলে আসছি আমরা একটি অধিদপ্তরের অধীনে কাজ করতে চাই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান। 

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি, তাতে আমরা ভয় পাচ্ছি, প্রতিবারের মত এবারও রমজানে আমাদের উপর বিশাল খড়গ নেমে আসবে।  এ সময় তারা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে বলেন সরকারি বিভিন্ন সংস্থার মোবাইল কোর্টে রেস্তোরা মালিক সমিতির প্রতিনিধিত্ব রাখতে হবে।

মহামান্য হাইকোর্টের অনেক নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও অযাচিতভাবে মোবাইল কোর্ট চলছে। আমরা মোবাইল কোর্টের বিরুদ্ধে না, মোবাইল কোর্ট চলুক যৌক্তিকভাবে। জামিন অযোগ্য-কালাকানুন ধারা ও বিধি বাতিল করতে হবে।

করোনা মহামারীতে প্রায় ৩০ শতাংশ রেস্তোরা বন্ধ হয়েছে। যারা টিকে আছে তারাও ধুকে ধুকে চলছে। এ অবস্থায় ব্যবসায় টিকে থাকতে এ খাতের উদ্যোক্তাদের প্রতি সরকারের সহযোগিতা জরুরী।

সাম্প্রতিক সময়ে চড়া মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। এর মধ্যে বাজারে বেশিরভাগ পণ্যের দাম দফায় দফায় বাড়ছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে রেস্তোরাঁ খাতে। ব্যবসায় টিকে থাকতে খাবারের দাম বৃদ্ধির বিকল্প নেই আমাদের সামনে।

সাম্প্রতিক সময়ে রেস্তোরাঁ খাতে কিছু নেতিবাচক প্রচারণায় যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে সেই সংকট থেকে উত্তরণে মিডিয়া দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। ভ্যাটের হার হবে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ এবং ট্যাক্সের হার হবে সর্বোচ্চ ০.৫ শতাংশ নির্ধারণ গ্যাস সংকট,মৌসুমী ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য, সহ ১০টি দাবী তুলে ধরেন তারা।
সোহাগ/এআরএস