যবিপ্রবিতে গণভোট নিয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রুহুল আমিন, যবিপ্রবি প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে যারা সম্ভাব্য ক্ষমতায় বসবেন, তাদের সন্তানরা কেউ জুলাইয়ে জীবন দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। 

শনিবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আয়োজনে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অংশগ্রহণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সভার সূচনা হয়। যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনির হায়দার বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ তৈরি করা হয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৮৪টি সুপারিশ নিয়ে, যার বাস্তবায়ন করার প্রথম পদক্ষেপ হবে গণভোট। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জনমানুষের মুক্তির আন্দোলন। শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের অন্যতম পাথেয় হলো এ জুলাই সনদ। এটি বাস্তবায়ন হলে এ বাংলার মাটিতে আর কখনো স্বৈরাচার তৈরি হবে না। যে সরকারই আসুক, তারা জনগণের কাছে জবাব দিতে বাধ্য থাকবে।

সভাপতির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, দেশ থেকে চিরতরে স্বৈরাচার মুক্ত করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ের কোনো বিকল্প নেই। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও যোদ্ধাদের স্বপ্ন পূরণে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব। ফ্যাসিবাদীরা এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে, সেই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম ও ইউজিসির প্রতিনিধি মো. গোলাম মোস্তফা। এ সময় জুলাই আন্দোলনের শহীদ আব্দুল্লাহ ও শহীদ ইমতিয়াজ আহমেদ জাবেরের পিতাসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা পরিচালনা করেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। এতে ২২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

ইএইচ