পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে কর্মব্যস্ত ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। ঈদের ছুটির রেশ কাটতে না কাটতেই জীবিকার তাগিদে রোববার (২২ মার্চ) বিকেল থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। তবে ফেরার পথে ভোগান্তি তুলনামূলক কম ছিল বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে নোয়াখালী থেকে আসা 'উপকূল এক্সপ্রেস' ট্রেনটি প্রায় এক হাজার যাত্রী নিয়ে কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়। যাত্রীদের অনেকেরই আগামীকাল সোমবার থেকে অফিস শুরু, তাই পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে দ্রুত ঢাকায় ফিরেছেন তারা।
নোয়াখালী থেকে আসা যাত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, যানজট এড়াতে এবং নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য তিনি ট্রেনকেই বেছে নিয়েছেন। একই ট্রেনে ফেরা আরেক যাত্রী শাহজালাল জানান, এক সপ্তাহের ছুটি কাটিয়ে তৃপ্তি নিয়ে ফিরলেও এখন কর্মক্ষেত্রে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অন্যদিকে, ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কমলাপুর স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উল্টো স্রোত দেখা গেছে। যারা ঈদের আগে টিকিট পাননি বা ভিড় এড়াতে চেয়েছিলেন, তারা আজ সপরিবারে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে জামালপুরের তারাকান্দির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া 'যমুনা এক্সপ্রেস' ট্রেনে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
যমুনা এক্সপ্রেসের যাত্রী তরিকুল ইসলাম জানান, ঈদের আগে টিকিটের জন্য হাহাকার থাকায় তিনি ঢাকায় ঈদ করেছেন। এখন ভিড় কিছুটা কমবে ভেবে পরিবার নিয়ে গ্রামে যাচ্ছেন ঈদ-পরবর্তী সময় কাটাতে। কমলাপুর রেলস্টেশনের প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে একদিকে যেমন শহরমুখী মানুষের ভিড়, অন্যদিকে নাড়ির টানে গ্রামমুখী মানুষের অপেক্ষার চিত্র আজ দিনভর চোখে পড়েছে।
জেএইচআর