ঈদযাত্রায় মহাসড়কে যান চলাচলে কিছু সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার সকালে রাজধানীর পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মাদানী এভিনিউ সংযোগ সড়কের জলসিঁড়ি আবাসন সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে ও পরে তিনদিন ট্রাক, লরি ও কভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও সব জায়গায় তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে ঢাকা–বগুড়া মহাসড়ক ও যমুনা সেতু এলাকায় পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ বেশি ছিল, যার ফলে কিছুটা যানজট সৃষ্টি হয়।
তিনি জানান, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাজীপুর এলাকার বাস মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অনেক ক্ষেত্রে রুট পারমিট ছাড়াই লোকাল বাস দীর্ঘপথে চলাচল করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
যমুনা সেতুতে যানবাহন বিকল হওয়াও বড় সমস্যা ছিল জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ঈদের ছয় দিনে সেতুর উপর ৭৯টি যানবাহন বিকল হওয়ায় সাময়িক যানজটের সৃষ্টি হয়। সংকীর্ণ সেতুর কারণে একটি গাড়ি বিকল হলেই দীর্ঘ যানজট তৈরি হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আগামী কোরবানির ঈদে আরও বড় চাপ সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কারণ তখন একদিকে যেমন বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকা ছাড়বে, অন্যদিকে কোরবানির পশুবাহী যানবাহন রাজধানীতে প্রবেশ করবে।
এর আগে অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সরকার ঘোষিত আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এএন