স্বাস্থ্য ও পরিবার প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেছেন, দেশের প্রান্তিক জনগণের চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারি, এনজিও ও প্রাইভেট সেক্টরের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, এই ধরনের সমন্বিত কার্যক্রম শুধু চোখের যত্নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বুধবার বিকালে গুলশানের একটি হোটেলে গিলডান লঞ্চিং সিরিমনিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত এ কথা বলেন৷
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক এনজিও যেমন সাইটসেভার্স (Sightsavers), ফ্রেড হোলো ফাউন্ডেশন (Fred Hollows Foundation), সিবিএম (CBM) এবং হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল (Helen Keller International) দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে দৃষ্টি সুরক্ষা এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কাজ করছে। এ ধরনের উদ্যোগগুলো যদি সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে মিলিতভাবে পরিচালিত হয়, তবে প্রান্তিক মানুষের কাছে আরও কার্যকর এবং প্রাপ্য সেবা পৌঁছানো সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, “এই প্রকল্পটি কেবল নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের চোখের চিকিৎসা বা চশমা প্রদানে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি সুযোগ, যেখানে আমরা কমিউনিটিতে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসন এবং সার্বিক স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আনতে পারি।”
প্রতিমন্ত্রী জোর দেন, প্রান্তিক জনগণের জন্য স্থায়ী ও ফলপ্রসূ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার ও এনজিওগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি বলেন, প্রাইভেট সেক্টরের উদাহরণগুলো অনুসরণ করে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও এই ধরনের কার্যক্রমে অংশ নিলে তা সমাজের জন্য অনন্য সুবিধা আনতে পারে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চোখের যত্ন খাতে এনজিও ও প্রাইভেট সেক্টরের সহায়তা অব্যাহত রাখলে দেশের সকল নাগরিকের চোখের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এএন