জ্বালানি মন্ত্রী

পেট্রোলের লাইন নেই, লোডশেডিংও কমেছে

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতির কথা তুলে ধরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশে পেট্রোল সংকট ও বিদ্যুৎ সমস্যাকে ঘিরে যে উদ্বেগ ছিল, তা এখন অনেকটাই কমে এসেছে। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে পেট্রোলের জন্য দীর্ঘ লাইন আর দেখা যায় না এবং লোডশেডিংও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। 

বৃহস্পতিবার সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

আলোচনায় মন্ত্রী একাত্তরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর হামলার পর জাতি যখন দিশেহারা ছিল, তখন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণায় মানুষ সাহস ফিরে পায়। তবে সে সময় কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পাকিস্তানি শাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাঙালিদের দমনে সহযোগিতা করেছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে গোলাম আযমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল তৎকালীন গভর্নর টিক্কা খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং পরবর্তীতে শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনী গঠনের মাধ্যমে মুক্তিকামী মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, যা ইতিহাসের অস্বীকারযোগ্য সত্য।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের মানুষের গৌরবের ভিত্তি। এই স্বাধীনতা না এলে বর্তমান সংসদ কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হতো না।

জ্বালানি খাতে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও বিরোধী দলসহ বিভিন্ন মহলে পেট্রোল ও বিদ্যুৎ নিয়ে উদ্বেগ ছিল। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই স্থিতিশীল। তিনি জানান, সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি দেশের উন্নয়নে একযোগে কাজ করছে।

তরুণদের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংসদে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে তার নিজস্ব আন্দোলনের দিনের কথা মনে করিয়ে দেয়। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

এম জি