আসন্ন কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার সকালে রাজধানীর গাবতলি পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কুরবানির পশু পরিবহনের সময় সড়কে চাঁদাবাজি ঠেকাতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাটের সীমানা প্রধান সড়কে ছড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, অনেক সময় পূর্বাভাসের বাইরে পরিস্থিতি তৈরি হয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, গাবতলি হাটে এক লাখ গরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে এর সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজারে পৌঁছাতে পারে। কারণ, বিক্রেতারা আগাম জানায় না কত পশু নিয়ে আসবেন বা কত বিক্রি হবে। তবে এ বিষয়েও প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে এবং মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, ঈদের দুই-এক দিন আগে আবারও পরিদর্শন করা হবে এবং ব্যবস্থাপনার সার্বিক অবস্থা যাচাই করা হবে। প্রশাসকের নেতৃত্বে সমন্বয় সভা আয়োজন করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, হাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ইজারাদারদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দলও হাট ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করবে।
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন পক্ষের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। হাট এলাকায় ওয়াচটাওয়ার স্থাপন এবং জাল নোট প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
এম জি