আমেরিকার ওয়াশিংটনে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর সাময়িক সামরিক উত্তেজনা কমাতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল ও লেবানন। তবে এই সমঝোতার স্থায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে ইরান-ঘেঁষা সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সামরিক তৎপরতা বন্ধের ওপর।
বুধবার দুই দেশের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি যৌথ ঘোষণায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দেশ দুটির মাঝে প্রাতিষ্ঠানিক কোনো কূটনৈতিক যোগাযোগ না থাকলেও, সীমান্ত সংঘাত সামাল দিতে তারা এই বিশেষ বোঝাপড়ায় পৌঁছাতে পেরেছে।
নতুন এই চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট কিছু পরীক্ষামূলক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। ওইসব এলাকায় লেবাননের রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনী ছাড়া অন্য কোনো স্বাধীন সশস্ত্র বাহিনী বা মিলিশিয়া গ্রুপ অবস্থান করতে পারবে না।
প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়, যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার প্রধান শর্ত হলো হিজবুল্লাহকে তাদের সব ধরনের রকেট ও ড্রোন হামলা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের যোদ্ধাদের সরিয়ে নিতে হবে।
অবশ্য এই শান্তি আলোচনার মধ্যেই সীমান্ত পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত ছিল। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানায়, তারা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। বিপরীতে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে ওয়াশিংটনের এই উদ্যোগকে দুই দেশের মধ্যকার চতুর্থ পর্বের সরাসরি সংলাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। চূড়ান্ত একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে আগামী ২২ জুনের পর তারা আবারও পরবর্তী বৈঠকে বসবে।
এএন