জয়নুল আবেদীন

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে সম্মানের সঙ্গে চলে যাবেন

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২৫, ০৩:১৯ পিএম

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, সরকারকে আহ্বান করবো ছোট ছোট শিশুদের, সারা বাংলাদেশের মানুষের মনের ভাষা বোঝার চেষ্টা করুন। ১০ মাস লাগে না সংস্কার করতে, নির্বাচন দিতে। অথচ আপনারা ১০ মাস অতিক্রান্ত করেছেন। আমাদের নেতা বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন। এর মধ্যে নির্বাচন দিয়ে সম্মানের সঙ্গে চলে যাবেন। আমরা সবাই সহযোগিতা করবো।

আজ (শনিবার) ঢাকা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক। এতে উপস্থিত ছিলেন— আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বারের সাবেক সভাপতি মহসিন মিয়া, বারের সহ-সভাপতি শহীদুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হোসেন আলী খান হাসান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঢাকা বার ইউনিটের সদস্য সচিব নিহার হোসেন ফারুক, ঢাকা আইনজীবী সমিতির ট্রেজারার আব্দুর রশীদ মোল্লা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নূরজাহান বেগম (বিউটি), লাইব্রেরি সম্পাদক নার্গিস পারভীন মুক্তি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক মো. ইলতুৎমিশ সওদাগর এ্যানি প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে জয়নুল আবেদীন বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার চেয়েছিল জিয়াউর রহমানকে সকলের অন্তর থেকে মুছে ফেলতে। কিন্তু মানুষের মন থেকে তাকে মুছে ফেলা যায় না। তিনি মানুষের অন্তরে গেঁথে আছেন। এর কারণ আছে কয়েকটা। তিনি বাংলাদেশকে ভালোবাসেন বলেই, স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, যুদ্ধ করেছিলেন। বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত হয়েছিল, এতে তিনি আঘাত পেয়েছিলেন। 

বিএনপির এ ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, জিয়াউর রহমান মানুষের জীবনে, অন্তরে চিরদিন থাকবেন। তার পরিবার, পরিজনও সংগ্রাম, দুর্যোগ অতিক্রম করে বেঁচে আছেন। আল্লাহ সহায় থাকলে কেউ মেরে ফেলতে চাইলেও পারে না। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল, পারেনি। আগের চেয়ে এখন ভালো আছেন। তারেক রহমান বাবার স্মৃতি ধরে রেখেছেন। হাজার মাইল দূরে থেকে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছেন। গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছেন। আগেও করেছেন, সামনেও করবেন।

এর আগে সকালে সমিতির সদস্যদের সন্তানরা রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও উপস্থিত বক্তব্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। 

আরএস