জুলাই আন্দোলন চলাকালে বনানী থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকসহ সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদেকুর রহমানের আদালতে পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
সকালে কারাগার থেকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরা অবস্থায় চার আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাদের পঞ্চম তলার এজলাসে তোলা হয়।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, “সব কিছুরই শেষ আছে।” নির্বাচনে অংশ নেবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি মাথা নেড়ে উত্তর দেন এবং একই কথা পুনরায় বলেন— “সব কিছুরই শেষ আছে।”
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক ইয়াছির আরাফাত আদালতকে জানান, নিহত মো. শাহজাহান মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমনের ভাষ্যমতে, ওই ঘটনায় অন্তত ১২০ জন জুলাই আন্দোলনের কর্মী নিহত হন এবং অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনাটি আসামিদের নির্দেশেই সংঘটিত হয়।
শুনানি শেষে আদালত আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাদের আবার হাজতখানায় পাঠানো হয়।
এজলাস থেকে বের হওয়ার সময় পলক পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো আছেন এবং তাদের উদ্বিগ্ন না হতে অনুরোধ জানান।
আইনজীবীদের ভাষ্যে, তিনি বর্তমানে মানসিকভাবে দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী আছেন এবং কারাগারের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছেন।
জেএইচআর