দীর্ঘ দেড় যুগ পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই ফ্লাইটে তার সঙ্গে ফিরছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
বুধবার তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের বহনকারী ফ্লাইটটি অবতরণ করবে। বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন।
এরপর রাজধানীর ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট) এলাকায় অতি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দেশবাসীর উদ্দেশ্যে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন। সেখান থেকে তিনি গুলশানের নিজ বাসভবনে পৌঁছাবেন।
জনভোগান্তি এড়াতে বিশেষ পরিকল্পনা
বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, জনদুর্ভোগ এড়াতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের মতো জনাকীর্ণ স্থান এড়িয়ে ৩০০ ফিট এলাকাকে সংক্ষিপ্ত গণ-অভ্যর্থনার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। এটি কোনো আনুষ্ঠানিক জনসভা নয়, বরং দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে জনগণের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি আয়োজন। এখানে তারেক রহমান একমাত্র বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেবেন।
নিরাপত্তা ও চিকিৎসাসেবা
সমাবেশস্থলে জরুরি চিকিৎসার জন্য আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্সসহ ৬ শয্যার অস্থায়ী ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া ঢাকাজুড়ে ২০টি মেডিকেল ক্যাম্প ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নিয়োজিত থাকবে। যানজট নিরসনে ও বিদেশগামী যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে স্বেচ্ছাসেবক ও হেল্প ডেস্কের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
দীর্ঘ সময় পর তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে। উল্লেখ্য, টানা তিন দিনের সরকারি ছুটির প্রথম দিনে এই প্রত্যাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে রাজধানীজুড়ে নাগরিক ভোগান্তি সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে।
ইএইচ