এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, আসন্ন নির্বাচন হবে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং রাষ্ট্র সংস্কারের নির্বাচন। যারা সংস্কার ও হাদি হত্যার বিচার চায়, তাদের নিয়ে প্রয়োজনে বৃহত্তর মোর্চা গঠন করে বিচারবিরোধীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়ার ইঙ্গিত দেন তিনি।
বুধবার বিকেলে ফেনী শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদি হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত শোক ও সংহতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মজিবুর রহমান মঞ্জু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও আধিপত্যবাদের কাছে বাংলাদেশ কখনো মাথা নত করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। যারা জনগণকে জিম্মি করতে চাইবে, তাদেরও বিগত স্বৈরাচারের মতো জনরোষে পালাতে হবে।
সমাবেশে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্ত শারমিন বলেন, আগামী নির্বাচনে ভোট হবে নতুন বাংলাদেশের পক্ষে। যারা গুটিকয়েক আসনের বিনিময়ে আদর্শ বিকিয়ে দেয়, তারা রাষ্ট্রের শক্তি হতে পারে না। তরুণ প্রজন্ম যেভাবে ফ্যাসিবাদ হটিয়েছে, নির্বাচনেও তারা ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপি’র দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের খুনিরা এখনো আমাদের রক্ত ঝরাতে চায়। কিন্তু রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি থেকে আমরা এক চুলও পিছপা হব না।”
প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রিত লটারিতে পদ পাওয়া কিছু কর্মকর্তা নির্দিষ্ট দলের দালালি শুরু করেছেন। নিরপেক্ষ আচরণ না করলে আবারও তরুণ প্রজন্মের মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারে ধীরগতিকে তিনি ‘অশনি সংকেত’ হিসেবে অভিহিত করেন।
জেলা এবি পার্টির আহ্বায়ক মাস্টার আহসানুল্লাহর সভাপতিত্বে সমাবেশে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার জোবায়ের আহমদ ভুঁইয়াসহ গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
ইএইচ