তারেক রহমানের অঙ্গীকার

শহীদ ওসমান হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেব না

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৬:১৭ পিএম

রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির ত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “কয়েকদিন আগে ওসমান শহীদ হয়েছেন। তিনি চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ তাদের অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। একাত্তর ও চব্বিশের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে আমাদের একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।”

তারেক রহমান তার বক্তব্যে একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে একই সূত্রে গেঁথে বলেন, “একাত্তরে দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালেও সর্বস্তরের মানুষ মিলে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। আজ এ দেশের মানুষ তাদের কথা বলা ও গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।”

আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে পাহাড়-সমতল, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবাই নিরাপদ থাকবে। একজন নারী বা শিশু ঘর থেকে বের হলে যেন নিরাপদে ফিরতে পারে, সেই নিশ্চয়তা দিতে হবে।” এসময় তিনি তরুণ প্রজন্মকেই আগামীর দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিখ্যাত নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের উক্তি টেনে তারেক রহমান ঘোষণা করেন, “মার্টিন লুথারের যেমন একটি স্বপ্ন ছিল, আমারও একটি পরিকল্পনা (আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান) আছে।” তিনি জানান, দেশকে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে তাঁর কাছে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে, যা বাস্তবায়নে প্রতিটি নাগরিকের সহযোগিতা প্রয়োজন। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি তিনবার উচ্চারণ করেন—“আমরা দেশের শান্তি চাই।”

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর এই 'শান্তির বার্তা' এবং 'ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা'র ঘোষণা নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

ইএইচ