ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাওয়া ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তাঁর নির্বাচনী ব্যয়ের একটি অংশ ঋণ নিয়ে মেটানোর কথা জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তাঁর হলফনামা থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামা অনুযায়ী, রুমিন ফারহানার কাছে নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩২ লাখ টাকা। আসন্ন নির্বাচনে তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ২০ লাখ টাকা ব্যয় করার পরিকল্পনা করেছেন। এছাড়া নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য তিনি তাঁর প্রবাসী খালাতো ভাই গালিব মেহেদীর কাছ থেকে আরও ৫ লাখ টাকা ধার নেবেন বলে উল্লেখ করেছেন।
২০২৫ সালের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবীর বার্ষিক আয় প্রায় ৯৭ লাখ টাকা। তাঁর মালিকানাধীন সম্পদের মধ্যে রয়েছে- ১০ ভরি স্বর্ণ, উত্তরাধিকার সূত্রে চট্টগ্রামে ৫ কাঠা জমি এবং রাজধানী ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট।
রুমিন ফারহানার ২০১৯ ও ২০২৫ সালের হলফনামা তুলনা করলে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে তাঁর বার্ষিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হওয়ার সময় তিনি বার্ষিক আয় দেখিয়েছিলেন ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ টাকা। অর্থাৎ গত কয়েক বছরে তাঁর আয় বেড়েছে প্রায় ২২ গুণেরও বেশি।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দলের এই সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অনড় থাকায় বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত হয়েছেন দলটির সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তবে বহিষ্কারের পরও তিনি নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
জেএইচআর