জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, শরীফ ওসমান হাদী বলেছেন ‘জীবন দেবো, জুলাই দেবো না’। ওসমান হাদী তার কথা রেখেছেন, জীবন দিয়েছেন। এখন আমাদের দায়িত্ব কথা রাখা।
তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমি কোনো বিচার চাই না। কার কাছে বিচার চাইবো, কে বিচার করবে সবকিছু পরিষ্কার। বিচার চাই আগামী ১২ তারিখের পর, আগামীর প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমানের কাছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা-১২ আসনে নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রাজধানীর কাওরান বাজারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় রাশেদ প্রধান এসব কথা বলেন।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা জুলাইকে চাঁদাবাজদের হাতে তুলে দেব না। যারা কোদাল-রামদা নিয়ে আয়োজন চালাচ্ছে, যারা নিয়মের বাইরে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি করছে এসব আর চলবে না।
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, “ঢাকা-১২ আসনে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ এসেছে। আমরা এমন একজন প্রার্থী পেয়েছি, যার নামেই আছে মিলন সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি আপনাদের সঙ্গে মিলিত হয়ে ঢাকা-১২ আসনকে গড়ে তুলবেন, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আগামী ১২ তারিখের ভোটকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, আমাদের কাজ পরিষ্কার দুইটা ভোট দিতে হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কে বিজয়ী করতে হবে এবং ঢাকা-১২ আসনে দাঁড়িপাল্লাকে জয়ী করে আগামীর প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমানকে উপহার দিতে হবে।
নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাশেদ প্রধান বলেন, আমরা শান্তি চাই, ঈমান নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। ডা. শফিকুর রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে চাই। তবে ওপার থেকে যদি কোনো হামলা আসে, আমরা মুখ বুজে বসে থাকবো না কঠিন জবাব দেওয়া হবে।
কাওরান বাজারের ব্যবসায়ীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, লন্ডন থেকে আগত এক মুসলিম ব্যবসায়ী দেশে ফেরার তিন দিনের মাথায় যারা এখানে চাঁদাবাজি করতে এসেছিল, ব্যবসায়ী ভাইরা তাদের লাল কার্ড দেখিয়ে দিয়েছেন। এরপর থেকে তারা এলাকা ছাড়া।
শেষে রাশেদ প্রধান বলেন, ১২ তারিখেও সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের জন্য লাল কার্ড। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলুন, দাঁড়িপাল্লায় সিল মারুন। দেখা হবে ইনশাআল্লাহ বিজয়ে বিজয়ের পথে যাত্রা শুরু। জীবন অথবা মৃত্যু।
এএন